মোটা হওয়ার ১০ টি সহজ উপায় যা মেনে চলা উচিত

মোটা হওয়ার উপায়

সমাজে অনেক ধরনের লোক আছে যার মধ্যে কেউ অত্যাধিক মোটা বা কেউ অনেক চিকন তবে বেশি মোটা বা বেশি চিকন কোনোটিই ভাল না স্বাস্থ্যের জন্য।

তার মধ্যে আমাদের মাঝে মাঝে এমন কিছু লোক আছে যারা অত্যাধিক চিকন তারা চেষ্টা করে একটু মোটা হওয়ার জন্য অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ঔষধ সেবন করে থাকে যেগুলো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে আমাদের শরীরে দেখা দেয় মারাত্মক ঝুঁকি।

তো এই ধরনের ওষুধ সেবন করার ফলে দীর্ঘমেয়াদি ভাবে মোটা না হয় সামরিক কিছু সবার জন্য মোটা হয়।

এবং শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ বাসা বাঁধে। তাই আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কার্যকরী কিছু মোটা হওয়ার উপায় সম্পর্কে

মোটা হওয়ার প্রাকৃতিক ঔষধ

আপনি যদি অত্যাধিক চিকন লোক হন এবং শরীরকে মোটা করতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমে যে বিষয়টি জানতে হবে।

যে আপনি কেন মোটা হতে চান এবং আপনার বয়স অনুপাতে আপনার শরীরের ওজন ঠিক আছে কিনা সেটা যাচাই করে নিতে হবে।

যদি আপনার বয়স অনুপাতে শরীরের ওজন ঠিক থাকে।

তাহলে আর মোটা হওয়া দরকার নেই আর যদি বয়স অনুযায়ী শিশুর ওজন কত কম থাকে তাহলে আপনি চেষ্টা করবেন।

যে আপনার শরীরে কোন রোগ আছে কিনা অর্থাৎ আপনি সবসময় দুশ্চিন্তা বা রোগে ভুগছে আপনার মোটা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং অন্যান্য রোগ থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করবেন মোটা হতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রাকৃতিক খাবার খেতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমানে খেতে হবে।

শরীর মোটা করতে প্রোটিন এর ভূমিকা

দৈনন্দিন জীবনে আমরা কমবেশি সবাই প্রোটিন জাতীয় খাবার খেয়ে থাকি আর এই প্রোটিন কে বলা হয় পুষ্টির রাজা।

এক্ষেত্রে আমরা যারা চিকন তারা যদি নিয়মিত বেশি পরিমাণে প্রোটিন খায়।

এবং এই প্রোটিন খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাংস উৎপাদনে সহায়তা করবে।

যার ফলে আমরা শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি পাব যেটা আমাদের দেহ গঠনে সহায়তা করে।

এবং মোটা হতে সহায়তা করবে। ঢালে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন এছাড়া মাছ-মাংসের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন।

যদি আপনার নিয়মিত মাছ মাংস ট্রায়াল খান এবং শারীরিক পরিশ্রম করেন মোটামুটি সে ক্ষেত্রে আপনি কিছুটা হলেও মোটা হতে পারবেন।

তবে এই মোটা হতে গিয়ে আপনি শুধুমাত্র মোটা হবেন আর সবুজ থাকবে তাহলে হবেনা আপনাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।

কিছু না কিছু নিয়মিত প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে।

যে খাবার গুলোতে উচ্চ প্রোটিন থাকে তার মধ্যে হচ্ছে ডাল জাতীয় খাবার শিমের বিচি মটরশুঁটি মাংস ডাল ইত্যাদি।

মোটা হতে হলে নিয়মিত খাবারের ভূমিকা

আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যারা অনিয়মিত খাবার খায় এবং রাতের খাবার না খেয়ে শুয়ে পড়ে।

অথবা দুপুরের খাবার বিকালে খাই সকালে খাবার দুপুরে নাই এরকম অনিয়ন দেখা যায়।

এরকম অনিয়মের ফলে আমাদের শরীরের পুষ্টির অভাব দেখা দেয়।

এবং পুষ্টির অভাবে দেখায় তখন এমনিতেই শুকিয়ে যায় তাই যখন খাবার খাওয়া দরকার তখনই খাবার খাবেন।

এবং একটা নির্দিষ্ট খাবার খাবেন চেষ্টা করবেন।

যে প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাবার অর্থাৎ দিনের খাবার খাওয়ার সময় হবে তখন খাবেন।

রাতের খাবার নির্দিষ্ট সময় খেয়ে নিবেন কিভাবে শুধুমাত্র ভাত আলু জাতীয় খাবার না খেয়ে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাবেন।

যেগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার থাকে যেমন শাকসবজি বেশি করে পানি খাবেন।

মাছ-মাংস এগুলো খাবেন যেগুলো আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টি জোগাতে হবে এবং পুষ্টির জন্য আমাদের সচেতন হয়ে যায়।

যখন সে দেখা যায় তখন আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের কথা দেখা দেয়।

যখন আমরা খাবার খাবার খাবার খাবার প্রতিদিন খাবারের মান পরিবর্তন করে খাওয়ার চেষ্টা করব।

আরো পড়তে পারেন

মাথা ব্যথা কমানোর ১০টি ঔষধের নাম

দ্রুত বীর্যপাত রোধে করণীয়

মোটা হতে হলে নিয়মিত পানি খাওয়ার ভূমিকা

আপনি যদি পানি কম খান সেখানে দেখা যাবে যে আপনি দিনে দিনে শুকিয়ে যেতে পারেন কারণ পানি আপনার শরীরের সকল খাবার হজম করতে সহায়তা করবে এবং আপনাকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

পানি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত দরকারি এবং গুরুত্বপূর্ণ উপাদান অনেকেই দেখা যায় পানি খেতে না পারে যাদের অনীহা খাবারের পরে তারা অল্প পানি খায়।

আমি সেভাবেই যখন পানি খান না কেন পানি যেন আধুনিক যে পরিমাণ পানি খাওয়া দরকার পর্যন্ত করে পানি খাবেন। আর আমরা যদি মোটা হওয়ার উপায় গুলো মেনে চলি তবে মোটা হয়ে সভব

প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি দেওয়ার চেষ্টা করবেন এবং নিরাপদ পানি খাবেন কোনভাবেই বাজারে বিক্রি করা শরবত বা কোমল পানীয় পান করে।

পানির চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করবেন। না বাজারে বিভিন্ন ধরনের উপজাতি ও পানি বিক্রি করা হয়। এছাড়া পেপসি-কোকাকোলা এ ধরনের প্রাণী কিন্তু আপনার কি-বোর্ডের পানির মত নিরাপদ নয় তাই আপনি যখন পানি খাবেন অবশ্যই নিরাপদ পানি পান করবেন সেটা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত দরকারি।

শরীর মোটা করতে ঘুমের ভূমিকা

ঘুম আমাদের জীবনের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি সঙ্গী এবং মানব দেহকে সুস্থ রাখার জন্য। ঘুমের ভূমিকা অপরিসীম আমরা ঘুম পাড়া ছাড়া কখনোই সুস্থ থাকতে পারবো না যদি আমরা সুস্থ থাকতে চাই তবে অবশ্যই আমাদেরকে নির্দিষ্ট সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

রাতে খুব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়বেন এবং রাতের খাবারটা সন্ধ্যার সময় খেয়ে নেবার চেষ্টা করবেন।

রাতে যখন তাড়াতাড়ি ঘুমাবেন তখন চেষ্টা করবেন গরম ঠান্ডা রাখার কারণ যখন ঠান্ডা থাকবে তখন আপনার ঘুম ভালো হবে।

একটা উপযুক্ত ঘুম আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে পারে এবং ঘুম থেকে শরীরে অনেক দূর হয় আপনি এখন ঘুমাবেন থেকে আট ঘণ্টা কমপক্ষে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।

এবং এই ঘুম ভালো হলে আপনি সুস্থ হবেন এবং আপনার শরীর গঠনে অনেক সহায়তা করবে পাশাপাশি আপনার মাংস বেশি হবে সুগঠিত যখন আপনি সুস্থ থাকেন তখন আপনাকে ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই বুঝতে হবে।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানলাম মোটা হওয়ার উপায় সম্পর্কে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *