পেট ব্যথা কমানোর ১০ টি ঘরোয়া উপায়

পেট ব্যথা

ছোট-বড় থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের লোকের গ্যাস্টিক বর্তমান একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা।

এবং এ সমস্যায় ভুগে না এরকম লোকের সঙ্গে খুবই কমই। আমরা বিভিন্ন কারণে গ্যাস্ট্রিক এবোকে থাকি এই গ্যাস্টিক হতে পারে দীর্ঘ স্থায়ী বা অস্থায়ী আমরা বাজে খাবারের কারণে যখন গ্যাস থেকে।

পোকা থাকে তখন সাধারণত বিভিন্ন ধরনের গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন করার মাধ্যমে।

সাধারণত গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করি এবং তার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মুক্ত থাকার চেষ্টা করি।

আর গ্যাস্ট্রিক যখন হয় তখন আমাদের পেট ব্যথা অথবা সমস্যা বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে।

এ ধরনের সমস্যা হতে পারে আমাদের খাবার খাদ্যাভাসে অনিয়ম থাকার কারণে এবং বাজে খাবারের।

কারণে তো আজকে এই ভিডিওতে আমি আপনাদের সাথে আলোচনার কিভাবে আপনি প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাস থেকে মুক্ত থাকবেন এবং পেট ব্যথা কমানোর নিজেকে সুস্থ রাখবেন।

পেট ব্যথা কমানোর উপায়

আপনার শরীরে যদি হজম শক্তি কম থাকে এবং আপনি যদি খাবার পরে অসুস্থ অনুভব করেন বমি বমি ভাব থাকে।

এছাড়া আপনার যদি বুক জ্বালাপোড়া করে এক্ষেত্রে আপনার গ্যাস্ট্রিক হতে পারে বলে আপনি তোরে নিতে পারবেন।

এবং গ্যাস্ট্রিক হলে আপনার পেট ব্যথা করতে পারে পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক হলে থেকে বাচতে হলে আপনাকে অবশ্যই নিয়ম কারণ মেনে খাবার খেতে হবে।

গ্যাস্ট্রিক থেকে বাচার প্রাকৃতিক উপায়

আমরা সাধারণত পেট ব্যথা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় হলেই আমরা ডাক্তারের কাছে যায় এবং ডাক্তাররা হয়তো।

বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট আমাদেরকে প্রেসক্রাইব করে থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা যখন ওষুধগুলো সেবন করি।

এগুলো বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে এবং ওষুধ গুলো আমাদের শরীরের সাথে সাথে আমাদের শরীরের গ্যাস উৎপাদন।

পুরোপুরি ভাবে বন্ধ হয়ে যায় যার ফলে আমাদের শরীরে উপকারী গাছ আছে সেগুলো বন্ধ হয়ে যায় সেখানে আমাদের উপকারী গ্যাস।

গুলো খুবই দরকার তাই যেকোনো ধরনের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ওষুধের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে প্রাকৃতিক ভাবে নিরাময়।

করার চেষ্টা করবো এতে করে আমাদের পার্শপ্রতিক্রিয়া হবেনা আমরা সর্বোপরি বিনা খরচে এবং পেট ব্যথা কমানোর অল্প খরচে সুস্থ থাকার চেষ্টা করতে পারব।

আমাদের প্রকৃতিতে অনেক ধরনের উপাদান আছে যেগুলো সেবনের মাধ্যমে আমরা গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্ত থাকতে পারে।

পাশাপাশি আমাদের হজম প্রক্রিয়া বাড়াতে পারি এবং যেকোনো সময়ই ওষুধের বিকল্প হিসেবে আমরা এই ধরনের ভেষজ।

ওষুধ বা প্রাকৃতিক উপাদান সেবন করে নিজেকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করতে পারি।

গ্যাস্ট্রিক মুক্ত থাকতে খাদ্যাভাস

নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়া ছাড়া আমরা যদি হাসিমুখে থাকলে অবশ্যই আমাদেরকে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে।

এবং বাজে প্রসেস ফুট উচ্চতায় বানানো হয় যেগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয় এবং দোকান বিক্রি করা হয়।

সেগুলো অস্বাস্থ্যকর খাবার সেগুলো অবশ্যই পরিহার করতে হবে পাশাপাশি সেগুলো আমাদের শরীরের জন্য সমস্যা দেখা দেয় যে খাবারগুলো খেলে।

আমরা সমস্যায় অনুভব করি সেই খাবারগুলো যেমন দোকানের বিস্কিট চিনি জাতীয় খাবার ভাজাপোড়াপেট ব্যথা কমানোর মিষ্টিজাতীয় খাবার এগুলো আমরা খাওয়া থেকে বিরত থাকব। আমরা যাচাই করে দেখব কোন খাবারগুলো খাওয়ার পর আমাদের কাছ থেকে সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে।

সেই খাবারগুলো থেকে দূরে থাকবো পাশাপাশি ধূমপান থেকে দূরে থাকতে হবে।

গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ের প্রাকৃতিক খাবার ভূমিকা অন্যতম তাই আপনি যদি কিছু বলতে চান তাই আপনাকে।

প্রাকৃতিক খাবার বেশি পরিমাণে খেতে হবে খেতে হবে অধিক পরিমাণে শাকসবজি শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে।

ফাইবার এবং শাকসবজি খাওয়ার ফলে আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন এবং গ্যাস্ট্রিক মুক্ত থাকতে পারবেন।

গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ের প্রাকৃতিক খাবার ভূমিকা

যখনই যে ধরনের খাবার খান না কেন সেটা যেন প্রাকৃতিক থেকে সংগ্রহ করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন এবং এই খাবারগুলো যেন খুব ভালো।

এবং সুস্থ পরিবেশ তৈরী করা থাকে সেই ধরণের বিষয় খেয়াল রাখবেন আর খাবারে ভেজাল সয়াবিন তেল।

এগুলো আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকারক তারপরে প্রাইজবন্ড রয়েল ঈদের গুলো শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন যখন কোন ধরনের পোশাক বানানো হয়।

সেই খাবার গুলোতে অনেক উচ্চ তাপমাত্রায় তৈরি করা হয় এই উচ্চতা ব্রা তৈরি করার কারণে খাবার গুলোর মান নষ্ট হয়ে যায়।

এবং এগুলো অনেকদিন প্যাকেটজাত করার কারণে এগুলো স্বাস্থ্যসম্মত থাকে না যেগুলো শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক আমাদের পেটের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তাই দোকানের বিস্কুট চানাচুর বিস্কিট এগুলো খাওয়া থেকে দূরে থাকবেন এবং প্রাকৃতিক যে খাবারগুলো আছে।

যেমন শাক সবজি মাছ মাংস ফলমূল এগুলো অধিক পরিমাণে খাবার যেগুলো আপনার পেট কে ভাল রাখবেন পাশাপাশি সরেন কে ভালো রাখবে।

আরো পড়তে পারেন

মাথা ব্যথা কমানোর ১০টি ঔষধের নাম

অনলাইন ইনকাম / টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়

অনলাইন জন্ম নিবন্ধন তথ্য যাচাই

গ্যাস্ট্রিক মুক্ত থাকতে ব্যায়াম এর ভূমিকা

আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে ধরনের খাবার খায় সেই খাবারগুলো আমাদের শরীরে জমা হয় এবং খাবার গুলো যদি আমরা পরিশ্রমের মাধ্যমে পান করে।

ফেলি তাহলে কিন্তু আমাদের গ্যাস্টিকের সম্ভাবনা কম হবে এবং স্বাভাবিক পরিশ্রম করলে আমাদের শরীরে ক্ষমতা বাড়বে।

এবং আমরা সুস্থ থাকতে পারবো পাশাপাশি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হবে বলে আশা করা যায়। নিয়মিত ব্যায়াম প্রত্যেকটা মানুষের ভালো রাখতে সহায়তা করে এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখে তাই সপ্তাহে দুই থেকে চার দিন।

এবং প্রয়োজনে আরও বেশি প্রয়োজন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করবেন যে আপনার ব্যায়াম করা প্রয়োজন।

সেটা জেনে নিবেন এর মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে আপনি ঘরে অথবা বাইরে যে কোন জায়গা করতে পারবেন খেলাধুলার মাধ্যমে সেগুলো করে নিতে পারবেন।

গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ে ঘুমের ভূমিকা

স্বপ্ন চাপমুক্ত থাকতে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে বা পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে এবং যদি ঘুমের সমস্যা হয়েছে।

এক্ষেত্রে আপনার মানসিক সমস্যা বা মানসিক চাপ দেখা যেতে পারে আর মানসিক চাপ কুষ্ঠ রোগীদের দেখা যায় যে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়।

আর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে হয়ে থাকে আপনার হজম শক্তি কমে যাবে পেট ব্যথা কমানোর যখন আপনি দেখবেন।

এবং মানসিক চাপ এবং সব সময় উৎফুল্ল এবং হজম শক্তি বাড়বে এবং হজমশক্তিও সমস্যা দূর হবে।

গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ে ভেষজ ঔষধ

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা কমানোর জন্য আমরা অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক ওষুধ সেবন করতে পারে তার মধ্যে জমাটবাঁধা।

খেলে আমাদের শরীরে হজম প্রক্রিয়া এবং আদা খাওয়ার ফলে আমাদের হজম হয়ে যায় খাবারগুলো এবং পেটে কোন সমস্যা থাকলে সেটা দূর হতে পারে।

তাই যখন আমাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দিয়ে দাও আদা চিবিয়ে খাব সেটা আমাদের জন্য অনেক কার্যকরী হবে বলে আশা করা যায়।

অনেকেই এটিকে সমস্যায় লেবুর পানি খেতে বলে লেবুর পানি খেলে আপনার শরীরের উপকারী এসিডের পরিমাণ বাড়বে।

যে এসিড গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ে সহায়তা করে আপনি যখন উপকারী হবেন তখন আপনার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে এবং নিরাময়ে সহায়তা করবে।

গ্যাস্ট্রিক নিরাময়ে চিবিয়ে খাওয়ার গুরুত্ব

বর্তমানে আমরা সময়ের অভাবে সব সময় তাড়াহুড়া করি যার ফলে আমাদের খাবারের ক্ষেত্রে দেখা যায়।

যে অনেক তাড়াহুড়া করে খাবার খায় এবং খাবার গুলো ভালোভাবে না চিবিয়ে গিলে।

খাওয়ার চেষ্টা করি এই ধরনের অভ্যাসের কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়।

তাই যখন খাবার খাবেন অবশ্যই অনেকবার 50 বারের বেশি চিবিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

এতে করে আপনার খাবারগুলো মুখের মধ্যে হবার মত হয়ে যাবে।

এবং পানি হয়ে যাবে যেটা পেটে হজম না হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না কারণ আপনি যদি কোন খাবার মুখের ভিতর কিভাবে।

পানির মত অবস্থা করে ফেলেন তাহলে সেই খাবারটা পেতে গিয়ে সমস্যার করার কথা না। যে খাবার গুলো শক্ত অথবা আরো যুক্ত খাবার সেগুলো আরো পেট ব্যথা কমানোর বেশি পরিমাণে খাবেন রাতে আপনার পেটে গিয়ে বড় ধরনের কোনো সৃষ্টি না করে।

এবং খাবারের ক্ষেত্রে আপনি লক্ষ্য রাখবেন যে আপনি সঠিক পরিমাণে খাবেন এবং খাবারের প্রতি মনোযোগ হবেন খাবারের সময় অধিক পরিমাণে পানি এবং খাবার শেষ করে কিছুক্ষণ পরে আবার পানি খাবেন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *